Posts

সর্বদা বিশৃঙখল

বেঁচে থাকার লড়াই? একটু ভালো থাকার লড়াই? দুর্বল পেলেই পিঠ পায়ে চেপে পিষে, নিজস্ব অহমিকায় উজ্বল নক্ষত্র তুমি! তোমার ক্ষিপ্রতায় চমকে উঠে চারপাশ। ভয়ে নুয়ে পড়া লোকটা আড়ালে খিস্তি ঝাড়ে! চেক বইয়ে কোটি লেখার ধরণ দেখে শিক্ষা ক্যাডার লক্ষ বানান ভুল করে বসেন! আর আমজনতার চিৎকার- সিস্টেমে সমস্যা, রাজনৈতিক চাল নয়ত মুল্যবোধের অবক্ষয়! এ-সবই, একটু ভালো থাকার চেষ্টা, বেঁচে থাকার লড়াই। তোমার দেয়ালে শোকেস ভর্তি মেডেল, পথ দেখিয়ে এগিয়ে নিচ্ছ প্রজন্ম! এই প্রজন্মের শিশু জন্মের পর ঠাই পায় আবর্জনা স্তুপে কিংবা নির্দমায়! অভাবে নয়, স্বেচ্ছায় নয়, তোমারই ১০ মিনিটের সুখে! বড়াই করে বলেও আবার, "এই বাংলার টাইগার", পুরোদস্তুর পশুই তো, পারলে বাড়াও রেটিং তার! এইতো শুনছি পেছন থেকে ছোট্ট করে কথা- 'এএহ,আসছে আমার সমাজ সেবক, দুই পাল্লা ওয়ালা বাটখারাটার পুরোটাই যে ভেজাল দিয়ে ভরা!'

ঘুরে দাঁড়াবার ভান!

আমি যা বুঝি তাই ঘটবে চারপাশে, একরোখা বললেও বলা যায় আমাকে! জীবন যুদ্ধে জিততে নাকি পারেনা কেউ? আমার কাছ থেকেই না হয় শিখে নিও,

অকর্মণ্য

নীভু নীভু ল্যাম্পপোস্ট জীবনের মাঝপথে, থমকে দাঁড়িয়ে থাকা আমি বিভ্রান্ত পথিক কি ছিলাম, কি চেয়েছিলাম, কি হয়ে আছি

নষ্ট মানুষ

নাহয় ভুলেই গেলে তুচ্ছ অবহেলায় কে চেয়েছে প্রেম

তোমায় নিয়ে

তোমার শহরে আমি হাঁটব, নাচব, গাইব উল্লাসে হারিয়ে যাব দুপুর থেকে বিকেল সন্ধ্যায় ফুটপাতে ধার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে, উষ্ণ চায়ের কাপে চুমুকের বাহানায়

অনুশোচণা

জাগতিক যত কষ্টেরা শুন্যতায় উড়ে বেড়ায় উদ্বাস্তু হয়ে মেঘে দূরে আকাশ নীলে।

ক্যান্সার

শ্বেত কনিকার আকস্মিকই বিদ্রোহ, জন্ম নেবে না কিছুতেই, থামাবে রক্ত প্রবাহ! শিরা উপশিরা থেকে হৃদপিন্ড,

গ্র্যাজুয়েশন

নতুন পথের খোঁজে পুরানো অভিনয় কি আছে কে জানে অবশেষ-

মিথ্যে প্রেমের শহর

এখানে মৃত্যুর মিছিল কফিনবদ্ধ অগুনতি লাশ দেহ মরে যত

(অনুবাদ) তো জিন্দা হো তুম- জাভেদ আখতার

হৃদয়ে যদি কিছুর জন্য প্রবল আকাঙ্খা জাগিয়ে রেখেছো তাহলে তুমি বেঁচে আছো, যদি তুমি দুচোখে সীমাহীন স্বপ্ন বয়ে বেড়াও,

শিরোনামহীন ২৫

অচেনা রাজপথে যান্ত্রিক প্রাণগুলো থেমে আছে অদ্ভুত মায়া নিয়ে

ক্ষমা করতে নেই

সেদিন তুমি সত্যকে খুন করেছিলে আমার বুকে পাথর চেপে তুমি আনন্দ পেয়েছিলে

শিরোনামহীন ২৪

প্রতিদিন মৃত্যু ঘটে তোমার বিবেকের দেখতে কি পাও? আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করো নিজেকে

শিরোনামহীন ২৩

শেষ রক্ষা আর হল না শরীরটা ছিঁড়েই খেলে কত যন্ত্রণা দিয়েছ শরীর মনে

শিরোনামহীন ২২

দূর থেকে ভেসে আসা আযানের সুর আকাশ থেকে খসে পড়া তারা অস্থির সময়

শিরোনামহীন ২১

চেয়েছিলাম তোমায় পড়াবো হাতকড়া পারলাম আর কই বলো

শিরোনামহীন ২০

কষ্টেরা মেঘ ভালবাসে কখনও জল হয়ে টুপ করে পড়ে

ভালো থেক

সেদিনের ক্ষণিক সময়টুকু অন্যরকম হতে পারত খুব ভালো লাগার, হয়ে গেল প্রচণ্ড অভিমানের আমি একদিকে ফিরে,তুমি অন্যদিকে তাকিয়ে

শিরোনামহীন ১৯

সেই যে কবে বাঁশের চাটাই আর সাদা কাপড় দিয়ে মুড়ে গেল

নষ্ট মানুষ

কেউ যায় কারো কথায় কেউ হারায় কারো কথায় কেউ ভেবে দেখেনি সময়টা ও মানুষটা কেমন ছিল